Editorial১৯ জুলাই, ২০২৬

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন কাঠামো এবং এআই যুগে শিক্ষার্থীদের গণিতবিমুখতা: একটি অশনিসংকেত

বাংলাদেশের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় গণিতের অনুপস্থিতি কীভাবে একটি প্রজন্মকে বিশ্লেষণ ও যুক্তিবিদ্যা থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে — এবং এআই যুগে এর মূল্য কতটা ভয়াবহ হতে পারে।

আবু হাসান
আবু হাসান
সহকারী অধ্যাপক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ

বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষায় প্রবেশের ক্ষেত্রে ভর্তি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। তবে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এই ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি মূলত তিনটি ধারায় বিভক্ত হয়ে যায়—ইঞ্জিনিয়ারিং, সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিকেল। এই তিনটি ধারার প্রশ্নপত্রের ধরনে রয়েছে বিস্তর ফারাক, যা পরোক্ষভাবে দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞান শিক্ষার মান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মেধা বিকাশের গতিপথ নির্ধারণ করে দিচ্ছে। বিশেষ করে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার বর্তমান কাঠামো বিজ্ঞান শিক্ষার মৌলিক ভিত্তিগুলোকেই নড়বড়ে করে তুলছে কি না, তা নিয়ে ভাবার সময় এসেছে।

প্রশ্নপত্রের ধরনে মূল পার্থক্য

ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষা মূলত শিক্ষার্থীদের গাণিতিক দক্ষতা, বিশ্লেষণী ক্ষমতা এবং পদার্থবিজ্ঞানের গভীর জ্ঞান যাচাইয়ের ওপর জোর দেয়। এখানে মুখস্থবিদ্যার চেয়ে সমস্যার সমাধান (Problem-solving) এবং তাত্ত্বিক জ্ঞানের প্রায়োগিক দিকটিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রশ্নপত্র সাধারণত একটি ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থায় থাকে, যেখানে তত্ত্ব এবং গাণিতিক বিশ্লেষণ—উভয়েরই সংমিশ্রণ দেখা যায়।

অন্যদিকে, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার চিত্রটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখানকার প্রশ্নপত্র মূলত তথ্যভিত্তিক এবং মুখস্থনির্ভর। সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হলো, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় ‘গণিত’ বিষয়টি পুরোপুরি অনুপস্থিত। আর পদার্থবিজ্ঞানের যে অংশটুকু থাকে, তা-ও অত্যন্ত মৌলিক এবং সহজ স্তরের; যেখানে কোনো গভীর গাণিতিক বিশ্লেষণ বা জটিল তত্ত্বের প্রয়োগ থাকে না।

মেধাবীদের মেডিকেল দৌড় এবং বেসরকারি কলেজের স্বার্থ

পরিসংখ্যান ঘাঁটলে দেখা যায়, বিজ্ঞান বিভাগের সিংহভাগ শিক্ষার্থী—বিশেষ করে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত মেধাবীদের একটি বিশাল অংশই এইচএসসির পর মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির পেছনে তাদের মহামূল্যবান সময় ব্যয় করে। এর পেছনে একটি বড় কাঠামোগত কারণ হলো সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোর ভর্তি পরীক্ষা একীভূত করা।

বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে আসন পূরণের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক 'উত্তীর্ণ' শিক্ষার্থীর প্রয়োজন হয়। মূলত বেসরকারি মেডিকেলে শিক্ষার্থী পাওয়ার এই বাণিজ্যিক ও কাঠামোগত স্বার্থেই প্রশ্নপত্র তুলনামূলকভাবে সহজ রাখা হয়, যাতে পাসের হার একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় থাকে। এই অতিমাত্রায় সহজীকরণ প্রক্রিয়ার সরাসরি শিকার হচ্ছে বিজ্ঞান শিক্ষার মূল নির্যাস।

গণিতবিমুখতা এবং পদার্থবিজ্ঞানে অনীহা

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় গণিত না থাকা এবং পদার্থবিজ্ঞানের প্রশ্ন সহজ হওয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি মারাত্মক নেতিবাচক প্রবণতা তৈরি হয়েছে। এইচএসসি পর্যায়ে উঠেই বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী গণিত বিষয়টি পুরোপুরি বাদ দিচ্ছে বা ঐচ্ছিক হিসেবে রেখে এর প্রতি ন্যূনতম মনোযোগ দিচ্ছে। একইসাথে, পদার্থবিজ্ঞানের ক্ষেত্রেও তারা আর গভীরে প্রবেশ করতে চাইছে না।

শিক্ষার্থীরা বুঝতে পারছে যে, মেডিকেলে চান্স পেতে হলে পদার্থবিজ্ঞানের জটিল গাণিতিক সমস্যা সমাধানের চেয়ে বইয়ের তথ্যগুলো মুখস্থ করাই বেশি কার্যকর। ফলে, যে বয়সে তাদের বিশ্লেষণী ক্ষমতা (Analytical skill) ও লজিক্যাল থিংকিং (Logical thinking) সবচেয়ে বেশি শানিত হওয়ার কথা, সেই বয়সেই তারা মুখস্থবিদ্যার দিকে ঝুঁকে পড়ছে।

একমুখী প্রস্তুতির ফাঁদ ও স্বপ্নভঙ্গের ট্র্যাজেডি

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা মূলত অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক, যেখানে আসন সংখ্যার তুলনায় প্রার্থীর সংখ্যা বহুগুণ বেশি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই সিংহভাগ শিক্ষার্থী কাঙ্ক্ষিত সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়। কিন্তু যেসব শিক্ষার্থী মেডিকেলে চান্স পায় না, তাদের জন্য এই একমুখী প্রস্তুতি এক ভয়াবহ ফাঁদ হিসেবে আবির্ভূত হয়। মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় গণিত না থাকায় শিক্ষার্থীরা এইচএসসি পর্যায় থেকেই বিষয়টি প্রায় পুরোপুরি বর্জন করে। গণিতভীতির এই মহামারির সরাসরি শিকার হয় এই শিক্ষার্থীরা।

যুক্তি বলে, যদি মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষাতেও নির্দিষ্ট নম্বরের গণিত বাধ্যতামূলক থাকত, তবে শিক্ষার্থীরা শুরু থেকেই বিষয়টি চর্চা করত। এর ফলে, কোনো কারণে মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ হাতছাড়া হলেও তাদের গাণিতিক ভিত্তি মজবুত থাকত এবং তারা অনায়াসেই ইঞ্জিনিয়ারিং বা সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারত। কিন্তু বর্তমানের এই একপাক্ষিক ও ত্রুটিপূর্ণ ব্যবস্থার কারণে, মেডিকেলের ট্রেন মিস করা এই বিপুলসংখ্যক মেধাবী শিক্ষার্থী অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষাতেই ভালো প্রস্তুতি নিয়ে টিকতে পারছে না। বিকল্প পথ খোলা না থাকায় প্রতি বছর হাজার হাজার মেধাবী শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ অঙ্কুরেই বিনষ্ট হচ্ছে, যা একটি জাতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আসন ফাঁকা: গণিত ও পদার্থভীতির চরম মূল্য

এই গণিতবিমুখতার সরাসরি এবং ভয়ংকর প্রভাব পড়ছে দেশের সাধারণ ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষায়। সিংহভাগ মেধাবী শিক্ষার্থী যখন মেডিকেল প্রস্তুতির পর সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় বা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়, তখন তারা গণিত অংশটি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে অথবা উত্তর করলেও চরমভাবে ব্যর্থ হয়। পদার্থবিজ্ঞানের গাণিতিক ও বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্নের সমাধানেও তারা সময়ের অভাবে খাবি খায়।

এর ফলে শিক্ষাক্ষেত্রে এক অদ্ভুত সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। পদার্থবিজ্ঞান, গণিত, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ট্রিপল ই) কিংবা কম্পিউটার সায়েন্সের (সিএসই) মতো বিষয়গুলোতে ভর্তির ক্ষেত্রে ভর্তি পরীক্ষায় গণিত ও পদার্থবিজ্ঞানে ন্যূনতম নম্বর পাওয়ার একটি বাধ্যবাধকতা (Barrier) থাকে। কিন্তু মেডিকেল-প্রস্তুতি নির্ভর এই বিশাল শিক্ষার্থীগোষ্ঠী সেই ন্যূনতম নম্বরটুকুও তুলতে পারছে না। ফলশ্রুতিতে, দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির কোর (Core) বিষয়গুলোতে যোগ্য শিক্ষার্থীর অভাবে আসন ফাঁকা থেকে যাচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো দেশের শীর্ষ বিদ্যাপীঠের বিজ্ঞান অনুষদে আসন ফাঁকা থাকার খবর গণমাধ্যমে এসেছিল, যার অন্যতম প্রধান কারণ ছিল পদার্থ ও গণিতের সমন্বয়ে যোগ্য শিক্ষার্থীর অভাব। এটি একটি জাতির বিজ্ঞান চর্চা ও গবেষণার জন্য চরম অশনিসংকেত।

প্রচলিত ধারণার ভ্রান্তি: চিকিৎসাবিজ্ঞানে মুখস্থবিদ্যাই কি শেষ কথা?

প্রচলিত চিকিৎসকদের অনেকের সাথেই কথা বললে একটি সাধারণ ধারণা পাওয়া যায়—তাদের মতে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের মূলত মুখস্থবিদ্যাই বেশি প্রয়োজন; অংক, আইটি বা পদার্থবিজ্ঞানের গভীর জ্ঞানের কোনো দরকার নেই। কিন্তু একুশ শতকের চিকিৎসা ব্যবস্থার বাস্তবতায় এই যুক্তিটি সম্পূর্ণ অসার এবং আত্মঘাতী।

প্রথমত, মানবদেহ প্রকৃতির সবচেয়ে জটিল একটি বায়োমেকানিক্যাল (Biomechanical) ব্যবস্থা। রক্ত সঞ্চালন (Fluid Dynamics), চোখের দৃষ্টি (Optics), হাড়ের গঠন (Mechanics) বা স্নায়ুতন্ত্রের বৈদ্যুতিক সংকেত—সবকিছুর মূলেই রয়েছে পদার্থবিজ্ঞানের সূত্র। এগুলো না বুঝে শুধু মুখস্থ করলে সাধারণ রোগের চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হলেও, জটিল বা ব্যতিক্রমী কেস (Critical cases) সমাধানের বিশ্লেষণী ক্ষমতা একজন চিকিৎসকের তৈরি হয় না।

দ্বিতীয়ত, আধুনিক চিকিৎসা গবেষণায় ওষুধের সঠিক মাত্রা নির্ধারণ (Pharmacokinetics) থেকে শুরু করে চিকিৎসা পরিসংখ্যান (Biostatistics) বিশ্লেষণের জন্য গণিতের জ্ঞান অপরিহার্য। একজন ডাক্তার যদি গণিত না বোঝেন, তবে তিনি নতুন কোনো গবেষণা বা জার্নালের ডেটা সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করতে পারবেন না।

আধুনিক চিকিৎসায় প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবকের ভূমিকা

চিকিৎসাবিজ্ঞানে আইটি বা প্রযুক্তির কোনো প্রয়োজন নেই—এমনটা ভাবা বোকার স্বর্গে বাস করার সমতুল্য। আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান এখন পুরোপুরি প্রযুক্তিনির্ভর। রোগ নির্ণয়ের অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি (যেমন- এমআরআই, সিটি স্ক্যান, আলট্রাসনোগ্রাম) থেকে শুরু করে জটিল সার্জারিতে ব্যবহৃত লেজার বা রোবোটিক প্রযুক্তি—সবকিছুর পেছনেই রয়েছে পদার্থবিজ্ঞানের জটিল সূত্র এবং গাণিতিক হিসাব-নিকাশ।

বর্তমানে মেডিকেল প্রফেশনে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ব্যবহার ব্যাপক হারে বাড়ছে। তথ্য মুখস্থ রাখার ক্ষমতায় মানুষ কখনোই যন্ত্র বা এআই-কে হারাতে পারবে না। এআই এখন লাখ লাখ মেডিকেল জার্নাল এবং উপসর্গের ডেটাবেজ এক সেকেন্ডে স্ক্যান করে রোগীর রোগ নির্ণয় করতে সক্ষম। ভবিষ্যতে যে চিকিৎসক শুধু মুখস্থবিদ্যার ওপর নির্ভরশীল থাকবেন, তিনি এআই-এর কাছে তার প্রাসঙ্গিকতা হারাবেন। পদার্থবিদ্যা, গণিত এবং আইটির জ্ঞান না থাকলে একজন চিকিৎসক বড়জোর যন্ত্রপাতির একজন সাধারণ ‘অপারেটর’ হতে পারবেন, কিন্তু সেগুলোর পেছনের বিজ্ঞান বুঝে একজন সত্যিকারের বিশ্বমানের ‘উদ্ভাবক’ চিকিৎসক হতে পারবেন না।

এআই এবং আইটির যুগে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে পিছিয়ে পড়া

আমরা এমন একটি যুগে বাস করছি যা মেশিন লার্নিং এবং ডেটা সায়েন্স দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এই প্রযুক্তির মূল ভিত্তি হলো গণিত এবং পদার্থবিজ্ঞানের অ্যালগরিদম। যেখানে সারা বিশ্ব তাদের শিক্ষার্থীদের লজিক এবং অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড চিন্তাচেতনায় দক্ষ করে তুলছে, সেখানে আমাদের বিজ্ঞান বিভাগের সিংহভাগ শিক্ষার্থী গণিতবিমুখ হয়ে বড় হচ্ছে। পদার্থবিজ্ঞানের গভীর জ্ঞান এবং বিশ্লেষণী ক্ষমতার এই অভাব আমাদের শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় যোজন যোজন পিছিয়ে দিচ্ছে। শুধু মুখস্থবিদ্যা দিয়ে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এই যুগে প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ অর্জন বা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে টিকে থাকা অসম্ভব।

উপসংহার

দুঃখজনক হলেও সত্য, বিজ্ঞান শিক্ষার এই কাঠামোগত অবক্ষয় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রযুক্তিগত অক্ষমতার দিকে ধাবিত হওয়ার এই বিষয়টি নিয়ে সরকারিভাবে কোনো দৃশ্যমান বা কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখা যাচ্ছে না। ভর্তি পরীক্ষার এই ত্রুটিপূর্ণ নীতিমালার কারণে আমরা হয়তো অজান্তেই একটি মেধাবী প্রজন্মকে গণিত ও বিশ্লেষণবিমুখ করে তুলছি।

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় পরিবর্তন আনা এখন সময়ের দাবি। শুধুমাত্র বেসরকারি মেডিকেলের আসন পূরণের স্বার্থে এবং "ডাক্তারদের শুধু মুখস্থবিদ্যা লাগে" এমন সেকেলে মানসিকতার বশবর্তী হয়ে গোটা দেশের বিজ্ঞান শিক্ষাকে মুখস্থনির্ভর করে তোলার এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। অন্যথায়, প্রযুক্তির এই যুগে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম শুধু দর্শক হয়েই থাকবে, উদ্ভাবক হতে পারবে না।

তথ্যসূত্র

  1. প্রথম আলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন বিভাগে ৪৬ আসন শূন্য, আবেদন আহ্বান
  2. Daily Observer DU science faculty sees vacant seats due to math, physics phobia

মন্তব্য

0 comments

আপনার মন্তব্য প্রকাশ্যে দেখানো হবে।

  • প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।